>বিশ্ব ভালোবাসা দিবস, ”ভ্যালেন্টাইনস ডে”: প্রথা, মিথ ও কুসংস্কার

Posted on February 14, 2011

0


>

পাশ্চাত্যের হাত ধরে বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে যোগ হওয়া উৎসবগুলোর মধ্যে প্রথম সারির দিবসটির নাম বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ইংরেজিতে সেন্ট বা ওয়ার্ল্ড ভ্যালেন্টাইনস ডে। যে নামেই ডাকি না কেন, দিনটি এখন বাঙালি তরুণ-তরুণীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের অন্যতম দিবসে পরিণত হয়েছে। আর তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা মাথায় রেখেই হয়তো বাংলা সাহিত্যের রূপকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন 'আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল'। বাংলার প্রেমপিয়াসীরা আজ ব্যাকুল হয়ে পড়বে। কারণ আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। গোটা বিশ্বের কাছে দিনটি সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে।

বসন্তের দ্বিতীয় দিনে স্বপ্নীল সাজে আজ প্রকৃতি সাজবে বাহারি রঙে। তেমনি বাহারি পোশাকে প্রিয় মানুষটির দৃষ্টি আকর্ষণে সাজবে কপোত-কপোতি। আর চোখে-মুখে আনন্দের নহর নিয়ে আসা প্রিয় মানুষটির মুখ থেকে ভালোবাসার প্রস্তাব শুনতেও ব্যাকুল হয়ে উঠবে যুবক-যুবতীরা। বসন্তের উতল হাওয়ায় আজ প্রেম দেব ঘুরে ফিরবেন হৃদয় বন্দরে। মনে মনে লাগবে দোলা, ভালোবাসার রঙে রাঙাবে হৃদয়।




বর্ণাঢ্য আনুষ্ঠানিকতা আর ভালোবাসায় উৎসবমুখর হতে এক বছর ধরে অপেক্ষার প্রহর গুনছে প্রেমপিয়াসী মন। অবশ্য প্রযুক্তির এ যুগে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস শুরু হবে যখন ঘড়ির কাঁটায় বাজবে রাত ১২টা। সেকেন্ডের কাঁটাটি ১২-এর ঘরে স্পর্শ করতেই মুঠোফোনে শুরু হবে প্রেম নিবেদনের সুনামি। ই-মেইল আর অনলাইনের চ্যাটিংয়ে পৌঁছে যাবে প্রেমবার্তা।

দিনের আলো আকাশ ফুঁড়ে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণী আর যুবক-যুবতীর পদচারণায় মুখর হবে জনপদ। ইংরেজি ক্যালেন্ডারের এদিনটিকে কেন্দ্র করে বিক্রি বেড়ে যাবে চকোলেট, গ্রিটিংস কার্ড আর হরেকরকমের প্রসাধনীর। ব্যবহার বেড়ে যাবে ই-মেইল, মুঠোফোনে এসএমএস-এমএমএসে প্রেমবার্তা পাঠানো।

ফেব্রুয়ারির ১৪ তারিখে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে পালন করে গোটা বিশ্ব। আর বাংলাদেশে পালিত হয় বিশ্ব ভালোবাসা দিবস হিসেবে। হোক না সে বহু পুরনো ঘটনা, হোক না সে দূরের কাহিনী, তাতে কি? প্রেমিক মন যে এদিনটিকে করেছে আপন। সাজিয়েছে আপন রঙে।




[Read Full Story…..]