বাড়বে মানুষের আয়ু!

Posted on July 7, 2011

0


বিজ্ঞানী অর্বে ডি গ্রে’র অনুমান সত্য হলে ১৫০তম জন্মদিন দেখার সৌভাগ্য যার হবে তার জন্ম ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। অর্বে ডি গ্রে একজন বায়োমেডিক্যাল জেরোন্টোলজিস্ট। মানুষের আয়ু নিয়ে গবেষণায় নিবেদিতপ্রাণ ‘সেনস ফাউন্ডেশন’-এর প্রধান বিজ্ঞানী তিনি। তার বিশ্বাস, বয়স বাড়ানো ঠেকাতে চিকিৎসকরা তার জীবদ্দশায়ই প্রয়োজনীয় সব রকমের উপায় পেয়ে যাবে। বার্ধক্যের সঙ্গে সঙ্গে যে রোগবালাই দেখা দেয় সেগুলো থেকে পুরোপুরি মুক্তির উপায় এবং যতদিন ইচ্ছা বাঁচার পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে। বৃটেনের রয়েল ইনস্টিটিউশন একাডেমী অব সয়েন্সে একটি বক্তৃতা দেয়ার আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আগামী ২৫ বছর বা এ সময়কালের মধ্যেই মানুষের বয়স চূড়ান্তভাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার সম্ভাবনা শতকরা ৫০/৫০ ভাগ। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আজকাল অনেক সংক্রামক রোগ যেভাবে চিকিৎসা করে সারানো সম্ভব হচ্ছে, মানুষের বার্ধক্যও এভাবে চিকিৎসার মধ্য দিয়ে এড়ানো সম্ভব হবে। বর্তমানে অনেক মানুষই নিয়মিত চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে যায়। ভবিষ্যতে এ চিকিৎসার আরও প্রসার ঘটে জিন থেরাপি, স্টেম সেল থেরাপি, ইমিউন স্টিমুলেশনসহ আরও নানা ধরনের অত্যাধুনিক ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে যাতে করে দেহসৌষ্ঠব ধরে রাখা যাবে। এ খবর দিয়েছে বিডিনিউজ।
ডি গ্রে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক সেনস ফাউন্ডেশনের প্রধান এ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ২০০৯ সালে যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। বার্ধক্য সম্পর্কে তিনি বলেন, জীবনভর সারা দেহে বিভিন্ন ধরনের কোষ ও আণবিক ক্ষয়ক্ষতির কারণে মানুষ বুড়িয়ে যেতে থাকে। এ ক্ষয়ক্ষতিগুলো মারাত্মক পর্যায়ে চলে যাওয়ার আগেই তা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। আর তা থেকেই পূরণ হতে পারে বেশিদিন বাঁচার আশা। তার মতে- দেহে কোষের ক্ষয়সহ অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি নির্দিষ্ট সময় পরপর সারানো যেতে পারে যাতে তা এমন পর্যায়ে না পৌঁছায় যা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এভাবেই বাড়তে পারে মানুষের আয়ু।
Advertisements